জোর করে চাঁদা তুলে দূর্গা পূজা করলে, সেই পূজা কমিটি বাতিল করা হবে পুলিশ প্রশাসনের তরফে।

0
270

জোর করে চাঁদা তুলে সেই পুজো কমিটির এ বছরে দুর্গাপুজো বাতিল করা হবে বলে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হলো। সেইসঙ্গে স্বাস্থ্য সচেতন বিধি মেনে পুজো করার পাশাপাশি জানানো হলো পুজো দেখতে আসা প্রসূতি মায়েদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার কথাও। দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরের পুলিশ প্রশাসনের তরফে এমনি বেশ কিছু নিয়মাবলীর কথা জানালেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও থানার আইসিও। জানানো হলো কচিকাঁচারা যেন পুজো দেখতে আসা প্রসূতি মায়েদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার কথাও। স্বাস্থ্য সম্মত কাজ ও প্রচার।শান্তিপূর্ণভাবে পুজো করতে পুলিশ অফিসারদের পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশ, সাদা পোশাকের পুলিশ মোতায়েন থাকবে বিভিন্ন জায়গায়।
গঙ্গারামপুরের পুলিশ প্রশাসন সূত্রে খবর, গঙ্গারামপুর শহর এলাকায় অনুমোদন প্রাপ্ত পুজো রয়েছে ৫৬ টি। এ ছাড়াও বেশকিছু পুজো হয়ে থাকে বিভিন্ন জায়গায়।করোনা আতঙ্কের মধ্যে যেন বাঙালি সবথেকে বড় উৎসব দুর্গাপূজো শান্তিপূর্ণভাবে পালন হয় তার জন্য প্রশাসনের তরফ একটি সভার আয়োজন করা হয়েছিল। যেখানে সমস্ত সরকারি অনুমোদন প্রাপ্ত পুজো কমিটির সভাপতি সম্পাদকদের পাশাপাশি অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার গ্রামীন, অতিরিক্ত জেলা শাসক, গঙ্গারামপুরের মহকুমা শাসক, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক, বিভিন্ন ব্লকের বিডিও, আইসি,পুরসভার চেয়ারম্যান সহ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিনের গঙ্গারামপুরের রবীন্দ্রভবনে পুজো কমিটির উদ্যোক্তাদের নিয়ে আলোচনা সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গ্রামীণ ডাবলু ভুটিয়া জানিয়েছেন, পুজো উদ্যোক্তাদের বেশ কিছু পদক্ষেপ নেবার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি রাত্রি বেলাতে মন্দিরের ভিতরে গাছ রাখার কথা জানানো হয়। পুজোর বিষয়ে গঙ্গারামপুর থানার আইসি পূর্ণেন্দু কুমার কুন্ডু জানিয়েছেন, কোভি ড পরিস্থিতির মধ্যে বিশেষ কিছু নিয়মাবলী মানতে বলা হচ্ছে পুজো কমিটির উদ্যোক্তাদের। যেমন পুজো প্যান্ডেলে চারিপাশে স্যানিটাইজার করতে হবে। সাংস্কৃতিক কোন অনুষ্ঠান করা যাবে না মন্দির চত্বরে। জোর করে চাঁদা তোলা যাবে না। পুজো প্যান্ডেলে রাতে ফাঁকা রাখা যাবে না, কারণ বিগত দিনের বেশকিছু ঘটনা থেকে আমরা আগাম ব্যবস্থা নিতে বলছি। সিসিটিভি লাগানো কথা বলা হয়েছে। মন্দিরের ভিতরে প্রবেশ না করে খোলামেলা ভাবে যেন সকলেই প্রতিমা দর্শন করতে পারে, সেইসঙ্গে ভিন্না করে বারবার করে অঞ্জলি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। মাক্স বিলি করা সচেতনতা মূলক প্রচার করার কথা বলা হয়। তেমনি কচিকাচাদের যেন পুজো দেখতে এসে হারিয়ে না যায় তার জন্য তার অভিভাবকরা তাদের জামা র পকেটে মোবাইল নাম্বার রেখে দেন।কেউ হারিয়ে গেলে যেন পরিবারের লোকজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় সে কথা বলে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশের অফিসারদের পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশ, সাদা পোশাকের পুলিশ মোতায়েন থাকবে। কিছু দিনের মধ্যেই পুজোর মধ্যে ট্রাফিক পুলিশের নিয়ম ও জানিয়ে দেওয়া হবে।
পুলিশ প্রশাসনের তরফে এমন উদ্যোগ নেওয়ায় সকলেই খুশি হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here