দীর্ঘ ৪৫ বছর পরে হরিরামপুর ব্লকের গোকর্ণ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র টি পূর্ণ রূপ পেল হরিরামপুরে।

0
203

বাবাই সূত্রধর,হরিরামপুর ,দক্ষিণ দিনাজপুর,২৩নভেম্বর; দীর্ঘ ৪৫ বছর পরে  হরিরামপুর ব্লকের গোকর্ণ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র টি পূর্ণ রূপ পেল সোমবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হরিরামপুর ব্লকের গোকর্ণ গ্রাম পঞ্চায়েতের গোকর্ণ এলাকায় ।১৯৭৫ সালে এই প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র টি তৈরি করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন তৎকালীন পশ্চিম বাংলার স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডক্টর জয়নাল আবেদীন। এরপর বহু সময় পেরিয়ে গেলেও প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র টি পূর্ণ রূপ পাইনি । নতুন করে প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র টির  কাজ শুরু হয় ২০১৬ সালের , সরকারি আর্থিক বরাদ্দে, কাজ শেষ হয় ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসের ১৯ তারিখে যা সম্পূর্ণ পূর্ণ রূপ করতে সময় লাগে ৪ বছর ১৯ দিন । কিছু দিন সেই কাজটি বন্ধ থাকার ফলে পূর্ণ রূপ পাইনি। যার ফলে ওই এলাকায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় তেমন উন্নতি ছিল না, এবং হরিরামপুর ব্লকের গোকর্ণ কৃষিভিত্তিক এলাকা বলে সু পরিচিত  বেশির ভাগেই মানুষ গরিব কৃষিজীবী খেটে খাওয়া ,এলাকার কেও অসুস্থ হলে তাকে ছুটে যেতে হতো ইটাহার গ্রামীণ হাসপাতাল অথবা হরিরামপুর গ্রামীণ হাসপাতাল এরফলে চরম অসুবিধার মধ্যে পড়তে হতো এলাকাবাসীদের । কিন্তু এলাকা বাসীরা ব্লক প্রশাসনকে একাধিক বার জানিয়েছিল কারণ এলাকাবাসীদের চিকিৎসা পরিষেবা তেমন উন্নতি ছিল না বলে ব্লক প্রশাসন কে জানান তারা । এলাকা বাসীদের চিকিৎসা পরিষেবার কথা মাথায় রেখে প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র টি বাস্তবায়িত করতে পুনরায় কাজ শুরু হয়।
সূত্রে জানা গিয়েছে ,১৯৭৫ সালে পশ্চিম বাংলার স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডক্টর জয়নাল আবেদীন এর উদ্যোগে এলাকা বাসীদের দেওয়া প্রথম ২ একর জমিতে প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কাজ শুরু হয় বলে জানা গেছে। কিন্তু বাস্তবায়িত হতে সময় লাগে ৪৫ বছর।এতে খুশি এলাকা বাসীরা। প্রথমে চিকিৎসা পরিষেবা চালু করতে আসেন অ্যাসিস্ট্যান্ট জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাক্তার গোলাম মর্তুজা , হরিরামপুর বি এম ও এইচ সৌভিক আলম ,ও ডক্টর আরিফ এছাড়া নার্স ও ফার্মাসিস্ট সহ সকলেই ।
এবিষয়ে সহ জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক গোলাম মর্তুজা জানিয়েছেন ,গোকর্ণ এর কাছাকাছি  মানুষদের স্বাস্থ্য বিষয়ে পরিষেবা দেওয়ার জন্য চালু করা হলো। এলাকা বাসীরা এই পরিবেবা পেয়ে  খুশিতে মেতে উঠে ।
BMOH  সৌভিক বাবু জানান, একজন ডাক্তার থাকবে সকাল ১০ থেকে ২ অবধি রুগী দেখবেন তারা এখানে শুধু রুগী দেখা হবে ,ভর্তির ব্যবস্থা এখনো চালু হয়নি ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here