সোনা পাচারের আগেই এক মহিলাসহ দুজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

0
174

বাবাই সূত্রধর,গঙ্গারামপুর,দক্ষিণ দিনাজপুর,৫ডিসেম্বর;গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বাংলা দেশ সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে বিহার সহ আন্তঃরাজ্য  সোনা পাচার হওয়ার আগেই পুলিশ তা উদ্ধারের পাশাপাশি এক মহিলা সহ দুইজনকে  গ্রেপ্তার করেছে ।ঘটনাটি শুক্রবার দুপুরে  দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর থানার চৌপতি   এলাকায়। জেলাতে বেশ কয়েক বছর ধরে কোনো থানা পুলিশের পক্ষে এমন সাফল্য  আর কোনো থানা পাইনি বলে জানা গিয়েছে।এদিন সন্ধায় জেলার পুলিশ সুপার গঙ্গারামপুর থানায় সাংবাদিক বৈঠক করে আইসি সহ বাকি অফিসারদের পাশে বসিয়ে এমন ঘটনার কথা জানান।পুলিশের এই সাফল্যকে শহর তথা জেলা বাসি ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
                      পুলিশ জানায় ধৃত ওই সোনা পাচারকারীর নাম মিঠুন দাস (২৮) ও সাধনা সরকার(৪৫)তাদের বাড়ি বালুরঘাট থানার মঙ্গলপুর এলাকায়। পুলিশ wb 62h9268 নম্বরের একটি নিজস্ব গাড়িতে ওই দুইজন শনিবার দুপুরে বালুরঘাট থেকে গঙ্গারামপুর  এর দিকে আসছিল। গঙ্গারামপুর থানার আইসির কাছে গোপন সূত্রের খবর আসে যে ধৃত ওই দুজনের কোমরে কাপড় বেঁধে তার মধ্যে সোনা লুকিয়ে পাচার করার জন্য নিয়ে যাচ্ছিল। এমন খবর পেতেই গঙ্গারামপুর থানার আইসি  নেতৃত্বে থানা ট্রিম চৌপথি এলাকা থেকে ওই গাড়িটিকে আটক করে তল্লাশি চালায়, এর পরে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় বারোটি সোনার বাট যার  ওজন এক কিলো চারশো গ্রামের উপরে যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায়  ৭৫ লক্ষ্য টাকা।
সূত্রে জানা গিয়েছে, এই সোনা গুলি বাংলাদেশ থেকে হিলি সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে বিহার হয়ে আন্তঃরাজ্য পাচার করার ছক ছিল অভিযুক্তদের।  যদিও গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ  অভিযুক্তদের এই পাচারের ছক  ভেস্তে দেয়।এমনকি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় সোনা,গাড়ি ,এক মহিলা সহ দুই অভিযুক্ত কে।শনিবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে সাংবাদিকদের সামনে পুরো বিষয়টি  তুলে ধরেন জেলা পুলিশ সুপার দেবর্ষি  দত্ত। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গ্রামীণ দেন্ডুম সেরপা , গঙ্গারামপুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক, গঙ্গারামপুর থানার আইসি পূর্ণেন্দু কুমার কুন্ডু , থানার অফিসার সমীর মন্ডল, আসিরুল হক, বিরাজ সরকার, আজিজা বেগম , প্রদীপ রাজবংশী সহ অন্যান্য আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে পুলিশের এমন সাফল্যের কথা জানান।

এ প্রসঙ্গে জেলা পুলিশ সুপার  দেবর্ষি দত্ত জানিয়েছেন,উদ্ধার হওয়া সোনার বাট যার বাজারমূল্য প্রায় ৭৫ লক্ষ টাকা, সেইসঙ্গে একটি গাড়ি এক মহিলা সহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।এই ঘটনার সঙ্গে আরও কারা জড়িয়ে রয়েছে সে বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করে দেখে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে।
সূত্রের খবর বেশ কয়েক বছর ধরে জেলায় কোনো থানার পুলিশ এমন সাফল্য অর্জন করতে পারেননি,  এদিন গঙ্গারামপুর থানার পুলিশের এমন সাফল্যকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সকলেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here